from 0 review
3 Days 2 Nights
Specific Tour
Unlimited
Bengali, English
রাতের এসি/নন-এসি বাসযোগে ঢাকা/সিলেট থেকে তামাবিল বর্ডারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু।
সকালে তামাবিল বর্ডারে পৌঁছে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস সংক্রান্ত সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা।
বর্ডার পার হয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হবে জয়ন্তিয়া হিলসের দিকে। প্রথমেই আমরা দেখে নেব মেঘালয়ের অন্যতম সুন্দর ও নীল জলের জলপ্রপাত ক্রাংসুরি ফলস (Krang Suri Falls)।
বিকেলে শিলং শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং হোটেলে চেক-ইন।
সন্ধ্যায় শিলং পুলিশ বাজারের আশপাশে ঘোরাঘুরি ও শপিং। রাত্রি যাপন শিলং-এ।
খুব সকালে চেরাপুঞ্জির উদ্দেশ্যে রওনা। আজকের দিনটি সাজানো হয়েছে চেরাপুঞ্জির সেরা সব স্পট নিয়ে:
কিনরেম ফলস (Kynrem Falls): চেরাপুঞ্জির অন্যতম উঁচু এবং তিনটি ধাপে নেমে আসা অসাধারণ এক জলপ্রপাত।
মাওসামাই কেভ (Mawsmai Cave): রহস্যময় এবং রোমাঞ্চকর প্রাকৃতিক চুনাপাথরের গুহা অভিযান।
সেভেন সিস্টার ফলস (Seven Sisters Falls): পাশাপাশি সাতটি ধারায় ঝরে পড়া মেঘালয়ের আইকনিক জলপ্রপাত।
প্রুট জলপ্রপাত (Prut Waterfall) এই জলপ্রপাতটি প্রায় ৪০ মিটার উঁচু এবং এটি একটি অপূর্ব সুন্দর পাহাড়ি উপত্যকায় ঘেরা।
নোহকালিকাই ফলস (Nohkalikai Falls): ভারতের অন্যতম উঁচু এবং কিংবদন্তী জড়ানো প্লঞ্জ জলপ্রপাত।
উই স ডং ফলস (Wei Sawdong Falls): ঘন জঙ্গলে ঘেরা তিন ধাপের চোখ ধাঁধানো থ্রি-টিয়ারড জলপ্রপাত (সামান্য ট্র্যাকিং করতে হবে)।
মাওয়াসাওয়া ফলস (Mawasawa Falls): চেরাপুঞ্জি পার্টের সবশেষ চমক হিসেবে এই সুন্দর শান্ত জলপ্রপাতটি দর্শন।
চেরাপুঞ্জির সব স্পট ঘুরে আমরা সন্ধ্যার দিকে আবার শিলং শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেব।
রাতে হোটেল ফিরে ডিনার ও রাত্রি যাপন শিলং-এ।
সকালে চেক-আউট করে পাহাড়ের বুক চিরে চলে যাব মেঘে ঢাকা বিখ্যাত লাইটলুম ক্যানিয়ন (Laitlum Canyons)-এ।
এরপর আমরা দেখে নেব ডাউকি রোডের কাছে অবস্থিত অন্যতম আরেকটি চমৎকার জলপ্রপাত ফি ফি ফলস (Phe Phe Falls)।
দুপুরের পর ডাউকি/তামাবিল বর্ডারের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
বর্ডার ফরমালিটিজ শেষ করে বাংলাদেশে প্রবেশ এবং সিলেট হয়ে রাতের বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা। বিদায় মেঘালয়!
Leave a Reply